বাংলাদেশে পাইলস এমন একটি সমস্যা যা মানুষ লজ্জার কারণে চেপে রাখেন। বেশিরভাগ সময় যখন চিকিৎসকের কাছে যান, তখন রোগটি বেশ এগিয়ে গেছে। অনেকেই অপারেশনের পর কয়েক বছরের মধ্যে আবার একই সমস্যায় ভুগতে শুরু করেন।
পাইলস কেন হয়?
পায়ুপথের আশেপাশের শিরাগুলো ফুলে যাওয়াই হলো পাইলস। কারণগুলো:
- দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য
- দীর্ঘ সময় টয়লেটে বসে থাকার অভ্যাস
- কম পানি ও কম আঁশযুক্ত খাবার
- গর্ভাবস্থা
- বংশগত প্রবণতা
- দীর্ঘ সময় বসে কাজ করা
প্রচলিত চিকিৎসার সীমাবদ্ধতা
অপারেশন বা ব্যান্ড লাইগেশন তাৎক্ষণিক উপশম দেয় ঠিকই, কিন্তু মূল কারণ — কোষ্ঠকাঠিন্য, শিরার দুর্বলতা — সমাধান হয় না। ফলে আবার নতুন জায়গায় পাইলস তৈরি হয়।
হোমিওপ্যাথিক দৃষ্টিভঙ্গি
হোমিওপ্যাথিতে পাইলসকে শুধু স্থানীয় সমস্যা হিসেবে নয়, পুরো শিরা-প্রাচীরের দুর্বলতা ও হজম প্রক্রিয়ার সমস্যা হিসেবে দেখা হয়। Grade 1, 2 এবং অনেক Grade 3 পাইলসের ক্ষেত্রেও অপারেশন এড়িয়ে চিকিৎসা সম্ভব।
জীবনযাত্রায় করণীয়
- দৈনিক ২.৫-৩ লিটার পানি পান করুন
- ইসবগুলের ভুসি, পাকা পেঁপে, শাকসবজি বেশি খান
- টয়লেটে মোবাইল ফোন নেওয়া বাদ দিন, ৫ মিনিটের বেশি বসবেন না
- প্রতিদিন কিছুক্ষণ হাঁটুন
শেষ কথা
পদ্মা হোমিও মেডিকেয়ার-এ পাইলস রোগীদের জন্য সম্পূর্ণ ব্যথামুক্ত ও কাটাছেঁড়া বিহীন চিকিৎসা প্রদান করা হয় — DU রেজিস্টার্ড BHMS চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে।